প্রতি শুক্রবারের ন্যায় আজও নারায়ণগঞ্জের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশনে এক ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে পথশিশুদের মুখে হাসি ফোটালেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু-আল ইউসুফ খান টিপু। শুক্রবার দুপুরে নিজ হাতে পথশিশুদের মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরণ করেন তিনি, এবং তাদের পড়ালেখা ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। একজন জননেতা হিসেবে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সবার সাথে সমতা ও মানবিকতার অনন্য উদাহরণ তৈরি করছেন তিনি।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজনীতি, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও ব্যক্তিগত পেশার দায়িত্ব পালনের মধ্যেও এড. টিপু যেন এক ক্লান্তিহীন মহা-নায়ক। মানুষের সেবা করার চিন্তা সবসময়ই তার প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী। আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি যেন এক অফুরন্ত কর্মশক্তি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
দিনের শুরুতে আইনজীবী হিসেবে কোর্টে কাজ করলেও, মানুষের সেবার মানসিকতা সর্বক্ষণ লালন করেন। রাজনীতির পাশাপাশি অসুস্থ ও অসহায় মানুষের খবর পেলেই তিনি ছুটে যান তাদের কাছে, সে ভোর হোক বা গভীর রাত। অসহায় কেউ তার কাছ থেকে খালি হাতে ফেরে না; নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন তিনি। মৃত্যু সংবাদ শুনলে জানাজায় উপস্থিত হওয়া তার বহুদিনের অভ্যাস।
খাবার বিতরণ শেষে এডভোকেট টিপু দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, “আমি যেন প্রতিদিন এইভাবেই পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করতে পারি, শুধু জুম্মার দিনে নয়। তাদের সুন্দরভাবে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করতে আমি আমার সাধ্যের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এরা যাতে সমাজে অবহেলার পাত্র না হয় এবং সম্মানের সাথে বসবাস করতে পারে, সেটাই আমার প্রত্যাশা।”
তিনি সমাজের বিত্তশালীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যদি সবাই পথশিশুদের জন্য এগিয়ে আসে, তবে তারা অবহেলায় পড়ে থাকবে না। আমাদের সমাজে অনেক খাবার অপচয় হয়। সেই অপচয় না করে যদি পথশিশুদের পাশে দাঁড়ানো যায়, তবে তারা সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে, মাদকাসক্ত হবে না, চুরি-ডাকাতির মতো কাজে জড়াবে না। তাদের জন্য করার মতো অসংখ্য কাজ আছে।”
একইসাথে তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া চান। আগামীর ভবিষ্যৎ দেশনায়ক তারেক রহমান যেন ২০ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারেন এবং সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারেন, এ কামনা করেন। এছাড়াও তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া চান—তিনি যেন জান্নাতবাসী হন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১২নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন, ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল আরিফ, ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব রহমান, ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ হাসেম, ১২নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মাহাবুব হোসেন, ১৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিরা সরদার, গার্মেন্টস শ্রমিক দলের নেতা মোঃ মনির মিয়া এবং ১৩নং ওয়ার্ড বিএনপির মাসুদ মিয়া।