শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীরামচন্দ্রের অবমাননার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে সনাতনীদের বিক্ষোভ; জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি সিদ্ধিরগঞ্জে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার জামায়াত আমীরকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া নিয়ে বিতর্কে জেলা প্রশাসন বলছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন মেনেই সম্মাননা প্রদান ফতুল্লায় বয়লার বিস্ফোরণে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ ৭ শ্রমিক আহত: গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের তীব্র প্রতিবাদ শ্রমিকদের অধিকার আদায় ও এনায়েতনগর ইউনিয়নের উন্নয়নে পাশে থাকতে চাই: হাফেজ আব্দুল মোমিন কেন্দ্র ঘোষিত ‘দাবি সপ্তাহ’ কর্মসূচি পালন করলো নারায়ণগঞ্জে বাসদ: বিভিন্ন দাবিতে নগরীতে বিক্ষোভ বন্দরে নাগরিক টিভি’র বন্দর প্রতিনিধি ইমনের মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত সাংবাদিক তানভীর’র মায়ের মৃত্যুতে ধ্রুব সাহিত্য পরিষদ’র শোক সাংবাদিক তানভীরের মাতৃবিয়োগে বন্দর থানা প্রেসক্লাব’র শোক রূপগঞ্জে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচীর ফলজ গাছ রোপণ করলেন ডিসি রায়হান কবির

ইসলামী আন্দোলন-এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
  • ২৮২ 🪪
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ১৯৮৭ সালে এ দিনে উত্তাল ছিল ঢাকা নগরী। স্বৈরশাহীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে হিংস্র প্রতিরোধ ব্যুহ ভেদ করে জনতার স্রোত ধেয়ে চললো শাপলা চত্বর অভিমুখে। দিশেহারা হয়ে যায় স্বৈরশাহী। পেটোয়া বাহিনী আগেই প্রস্তুত ছিলো সমাবেশ ঠেকাতে। আগের দিনই পুলিশ সমাবেশ মঞ্চ ভেঙ্গে ফেলেছিলো। গ্রেফতার করেছিলো ইসলামী আন্দোলনের ৮ জন কর্মীকে। অতএব পরিস্থিতি ছিলো উত্তপ্ত। পুলিশ ঘিরে রেখেছিলো গোটা মতিঝিল ও দৈনিক বাংলা এলাকা। উপরের কঠোর নির্দেশ; কোনো রকম সমাবেশ করতে দিবে না তারা আজ। স্বৈর সরকার ইতিমধ্যে টের পেয়ে গেছে ইসলামী জনতার এই স্রোত সরকার বিরোধী আন্দোলনকে আরো গতিময় করে অপ্রতিরোধ্য করে তুলবে। ইসলামের পক্ষে একটি গণ-অভ্যুত্থানের আশংকায় শংকিত হয়ে পড়েছিলো একটি মহল। অতএব যে কোনো মূল্যে ঠেকাতে হবে এই মহা শক্তিকে। মাথা সোজা করে দাঁড়াতে দেয়া যাবে না এ মিশনকে।

পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক লাখো ইসলামী জনতার উপর চালানো হয় হিংস্র বর্বরতা। বায়তুল মোকাররমের পবিত্র অঙ্গনে আশ্রয় নিয়েও রেহাই পায়নি ঈমানদার জনতা। বেপরোয়া লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস আর বুলেটের মহাযজ্ঞ চালিয়ে উল্লাসিত হলো হায়েনার পেটোয়ারা। জাতীয় বায়তুল্লাহ রঞ্জিত হলো আহতদের ছোপ ছোপ রক্তে। সেদিন শাপলা চত্বরে সমাবেশ করতে দেয়নি ওরা। জাতীয় প্রেসক্লাবের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেও সেদিন ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো হিংস্র পুলিশ। সেদিন অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছিলো। এক রক্ত ঝরা অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে সূচনা হলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর অভিযাত্রা।

ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এ যোগদান করতে উদাত্ত আহবান জানান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102