শুক্রবার (১ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া হকার্স মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশ ও র্যালিতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা আবদুল জব্বার তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য ‘ইসলামী শ্রমনীতি’ কায়েমের কোনো বিকল্প নেই। তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কালজয়ী নির্দেশনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন ”শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর আগেই তার ন্যায্য মজুরি পরিশোধ করে দাও। শ্রমিকদের প্রকৃত মর্যাদা ও অধিকার কেবল ইসলামী সমাজব্যবস্থাতেই সম্ভব।”
সমাবেশে মাওলানা আবদুল জব্বার সরকারের উদ্দেশে দুটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন, ফুটপাত থেকে হকারদের উচ্ছেদ করে তাদের কর্মসংস্থানের জন্য বহুতল বিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মাণ করতে হবে।
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জের ১২ লক্ষ মানুষের পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের বিনামূল্যে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জনস্বার্থে নেওয়া সরকারের যেকোনো ন্যায্য আন্দোলনে তারা সহযোগিতা করবেন।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ৩৬ জুলাইয়ের গণভোটে প্রতিফলিত জনগণের রায়কে উপেক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের এই রায় মেনে না নিলে সাধারণ মানুষ আবারও রাজপথে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।
সমাবেশ শেষে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের সাধারণ শ্রমিকরা অংশগ্রহণ করেন।