এর ফলে নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। নদী থেকে ক্রমাগত মাটি তোলায় পাড় ধসে পড়ছে, যার ফলে নদীর নাব্যতা কমছে এবং বর্ষা মৌসুমে বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।
প্রচলিত নদী রক্ষা আইন উপেক্ষা করে দিন দুপুরে সমানতালে চলছে মাটি কাটার কাজ। স্থানীয়রা ভয়ে মুখ না খুললেও ভেতরে ভেতরে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মনির হোসেন সরদারকে মুঠোফোনে কল করলে তিনি জানান গাছ লাগানোর জন্য মাটি নিচ্ছি। তারপরও যদি কিছু লিখতে মনে চায় তা লেখো। আমার কোন আপত্তি নেই।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ এবং স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একটি গ্রুপ প্রকাশ্যে নদীর ক্ষতি করছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পরিবেশ বাচাও আন্দোলন নামে সংগঠনের এক কর্মকর্তা জানান নদী আমাদের প্রান। তাই বলবো ”নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে—এই স্লোগান যেন আজ কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। প্রভাবশালী মহলের এমন আগ্রাসী ভূমিকা বন্ধ করতে জরুরি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”