এদিকে সদর উপজেলার ইউএনও এসএম ফয়েজ উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বচ্ছ এবং দক্ষতা সহিত দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। তিনি আইনবহির্ভূত কোন কাজ করেন না এবং অপরাধীকে কোন ভাবে আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় না। কাউকে আশকারা দেয়ার প্রশ্নই আসে না। তিনি সদর উপজেলাকে আধুনিক রুপে রুপান্তরিত করতে দক্ষতা সহিত কাজ করে যাচ্ছেন বলেন উপজেলা সূত্রে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের একজন ইউপি সদস্য বলেন, আমাদের পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন বক্তাবলীর চেয়ারম্যান না থাকায় পরিষদের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। গত কয়েক দিন আগে অফিসের কাজে উপজেলা পরিষদে গিয়ে দেখতে পাই রশিদ মেম্বারকে। তিনি ইউএনও স্যারের সাথে দেখা করার জন্য ঘুরাঘুরি করছে। কিছুক্ষণ পর ইউএনও স্যারের সঙ্গে দেখা করতে পারলেও যা বলতে চেয়েছিল তার সুযোগ দেয়নি ইউএনও স্যার। তিনি বলে দিয়েছেন আইনের বাহিরে গিয়ে কোন কাজ করতে পারবো না। এতে বুজা গেলো ইউএনও স্যার অন্য ৮/১০ টা ইউএনও স্যারদের মত নয়। তিনি ভিন্ন ধরনের অফিসার।
এদিকে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের অধিকাংশ সদস্যরা জানান, রশিদ মেম্বার আওয়ামী লীগের দোসর হওয়া সত্বেও তিনি নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে দাবি করে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে। পূর্বের ইউএনও জাফর সাদিক চৌধুরী সাহেবকে ম্যানেজ করে নিয়মবহির্ভূত ভাবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে পেরেছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলায় জেল হাজতে যাওয়ার পর তার পদ গারায়। পরে সরকারি অফিসার এর মধ্যে একজনকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। কিন্তু জেল হাজত থেকে বের হয়ে পূনরায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে মরিয়া হয়ে উঠে। কিন্তু বর্তমান ইউএনও নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ডিসি স্যারের সিদ্ধান্তকে ফাইনাল সিদ্ধান্ত হিসেবে মনে করছে। তবে বেশির ভাগ মেম্বাররা রশিদকে অপছন্দ করার কারণে রশিদের স্বপ্ন জটিল হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে রশিদকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে বিরোধী করায় মঙ্গলবার দুপুরে রশিদের সন্ত্রাসী বাহিনী আখিলকে অপহরণের চেষ্টা এবং হামলার ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর ইউএনও রশিদের প্রতি ক্ষীপ্ত হয়ে আখিল মেম্বারকে শান্তনা দিয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেন। তাৎক্ষনিক ভাবে ব্যবস্থা নিতে ফতুল্লা থানা পুলিশকে অবগত করেন ইউএনও। অপরাধী হিসেবে কেউ যেন ছাড় না পায় পুলিশকে নির্দেশও দেন।