শনিবার (২৪শে জানুয়ারি) বাদ আছর ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের নূরবাগ এলাকায় ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে ও কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার ফারুক হোসেন এর সঞ্চালনায়, নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুফতি মনির কাসেমী বলেন, এদেশের মানুষ শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমান। মুসলিম জাতিসত্তা নিয়ে টিকে থাকার জন্যই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ যুক্ত করেছিলেন।
তিনি বলেন, বিএনপিই একমাত্র দল, যারা ক্ষমতায় গেলে সংবিধানে ‘আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছে।
গত ১৭ বছরের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমরা গোলামের জীবন যাপন করেছি। মসজিদে মন খুলে কথা বলতে পারিনি। মা-বোনেরা নিরাপদ ছিল না। যে ফ্যাসিস্ট আমাদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, তাকে বিতাড়িত করে কি আবার নব্য ফ্যাসিস্টের হাতে দেশের চাবি তুলে দেব?”
তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “যদি না দিতে চাই, তাহলে ১২ তারিখ খেজুর গাছ মার্কায় ভোট দিয়ে বিপ্লব করুন। সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হোন—আমরা জিতবোই, ইনশাআল্লাহ।
মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “যারা সমাজকে মাদকমুক্ত করতে চান, তারা সবাই খেজুর গাছের নিচে চলে আসুন। সবাইকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জকে মাদকমুক্ত করবো।
তিনি আরও বলেন, এই আসনের সাড়ে পাঁচ লাখ ভোটারের হাত যদি আমার হাতের সঙ্গে যুক্ত হয়, আর আমার হাত যদি তারেক রহমানের হাতের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে এই দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে বেশি সময় লাগবে না।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া বলেন, হাতি খাওয়া হারাম, হরিণ বড়লোকের খাবার, ফুটবল নিজেই লাথি খায়। কিন্তু খেজুর গাছের প্রতিটি অংশ উপকারী। তাই হাতি, হরিণ আর ফুটবল ছেড়ে খেজুর গাছে আসুন।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু বলেন, মুফতি মনির কাসেমী আমাদের জন্য আল্লাহর দান। দলের যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষেই কাজ করবো।
তিনি আরও বলেন, “আমরা শুনছি কেউ কেউ শত শত কোটি টাকা খরচ করছে। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীরা টাকার জন্য রাজনীতি করে না তারা দলকে ভালোবাসে।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মো. মনিরুল আলম সেন্টু, হাজী মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ,রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, মোঃ বাবুল আহমেদ, আলহাজ্ব মাজহারুল আলম মিথুন, মোঃএস এম আনিসুর রহমান, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মো. মাসুম আহমেদ রাজু, মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, হাজী মোহাম্মদ আলী সহ প্রমূখ।