রেনেসাঁ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সোনারগাঁ গজারিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। করোনাকালীন সময় থেকে শুরু করে বর্তমানে পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা, বস্ত্র বিতরণ, স্কুল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে নিয়মিতভাবে।
ড.আতাউর রহমান বলেন,“মানুষের জন্য কিছু করতে পারাটাই জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ। আমরা চাই সমাজের প্রতিটি মানুষ যেন উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারে। তরুণ প্রজন্মকে মানবিক কাজে যুক্ত করা এবং তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলাই রেনেসার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন,“রেনেসা শুধু একটি ফাউন্ডেশন নয়, এটি মানবতার এক আন্দোলন। আমাদের স্বপ্ন— একটি বৈষম্যহীন সমাজ, যেখানে কেউ অনাহারে থাকবে না, কেউ বেকার থাকবে না। সবাই নিজের অবস্থান থেকে যদি একটু এগিয়ে আসে, তাহলে সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে দেরি হবে না।”
ফাউন্ডেশনের সদস্য শাহাদাত হোসাইন জানান, আতাউর রহমান শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি একজন অনুপ্রেরণাদায়ী মানুষ। নিজের অর্থে বহু অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। শিক্ষা ও মানবিক সহায়তায় তাঁর অবদান এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সমাজকর্মী এম এ মহিন সরদার বলেন, “আতাউর রহমান আমাদের এলাকার গর্ব। তাঁর নেতৃত্বে রেনেসা ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন অনেক দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। এমন একজন মানুষ সমাজের আলোকবর্তিকা।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ড.আতাউর রহমান বলেন,“আমরা শিক্ষা ও কর্মসংস্থান খাতে আরও বড় প্রকল্প নিতে যাচ্ছি। বিশেষ করে তরুণদের জন্য আইটি ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। দেশের উন্নয়নে তরুণদের ভূমিকা অপরিসীম— তাই আমরা তাদের পাশে থাকতে চাই।”
রেনেসা ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনের প্রশংসা পেয়েছে।