সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ যখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, তখন জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং প্রাইম গ্রুপের কর্ণধার আবু জাফর আহমেদ বাবুল। তিনি নিজ উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ফ্রগার মেশিন দিয়ে মশা নিধনের ঔষধ ছিটানোর ব্যবস্থা করেছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায় থেকেও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি হয়ে পড়েছে। আর এই তাগিদ থেকেই আবু জাফর আহমেদ বাবুল তার সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রমে এগিয়ে এসেছেন।
তার এই উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রাইম ওয়াশিং প্লান্ট লিমিটেডের পরিচালক এবং আবু জাফর আহমেদ বাবুলের ছোট ভাই জহির আহমেদ সোহেল বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছি যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর ভিড় বাড়ছে। আমাদের ভাই আবু জাফর আহমেদ বাবুল সবসময়ই সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভালোবাসেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা আমরা সবাই জানি। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার নিজস্ব অর্থায়নে এবং ব্যবস্থাপনায় নগরীর বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় ফ্রগার মেশিনের মাধ্যমে মশা নিধনের ঔষধ ছিটানোর ব্যবস্থা করবেন। এর মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এবং তাদের সুরক্ষায় কিছুটা হলেও অবদান রাখতে চাই।”
তিনি আরও যোগ করেন, “এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হলো মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করা এবং পূর্ণাঙ্গ মশাকে নিধন করা, যাতে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা যায়। আমরা আশা করি, আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টা নারায়ণগঞ্জবাসীকে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।”
আবু জাফর আহমেদ বাবুলের এই জনহিতকর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, এমন দুর্যোগময় মুহূর্তে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের উদ্যোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কাজ করবে এবং অন্যকেও অনুপ্রাণিত করবে।