হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান এই উৎসবের দিনে পূজামণ্ডপ প্রাঙ্গণে ভক্তদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রসাদ বিতরণ উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন আমলাপাড়া সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মহা অষ্টমীর মূল আকর্ষণ কুমারী পূজায় এ বছর কুমারী রূপে প্রতিস্থাপিত হন রাজশ্রী ভট্টাচার্য্য। তার বয়স ৭ বছর ৬ মাস ২৪ দিন। মদগোল্গো গোত্রীয় রাজশ্রী বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ আইডিয়াল স্কুলের ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার পিতা পাপ্পু ভট্টাচার্য্য এবং মাতা স্বর্ণা চক্রবর্তী।
শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে কুমারী পূজা দেবী দুর্গার জীবন্ত প্রতিমূর্তি রূপে কুমারী কন্যাকে আরাধনার প্রাচীন ঐতিহ্য। এদিন ভক্তরা কুমারীর পূজা, অঞ্জলি ও প্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করেন। পূজার সময় ভক্তদের মাঝে ছিল গভীর শ্রদ্ধা ও আনন্দের পরিবেশ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এড. মো. আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, “বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নিজেদের উৎসব উদযাপন করে থাকে। আমরা সবাই মিলে এই সৌহার্দ্যের ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।” তিনি পূজার সকল আয়োজক, ভক্ত ও অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানান।
প্রসাদ বিতরণে শত শত নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর ও প্রবীণ ভক্ত সারিবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করেন। ভক্তদের হাতে প্রসাদ তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে পূজা ও প্রসাদ বিতরণ কর্মসূচি চলছে। কুমারী পূজা উপলক্ষে মিশনপাড়া রামকৃষ্ণ মিশন মণ্ডপে ছিল অতিরিক্ত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আবহ, যা ভক্তদের মনে অনাবিল আনন্দের সঞ্চার করে।