শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি: নারায়ণগঞ্জে মে দিবসে রাজেকুজ্জামান রতনের হুঙ্কার বৃষ্টির ভোগান্তি দূর করতে জেলা কালেক্টরেট মসজিদের সংস্কার কাজ শুরু: পরিদর্শন করলেন ডিসি রায়হান কবির শ্রমিকদের অবহেলিত রেখে দেশের উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না: শ্রমিক নেতা এড.ইসমাইল  ​“নারায়ণগঞ্জ আসছেন ছাত্র ফেডারেশন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান খাঁন রিচার্ড” শ্রমিক অধিকার আদায়ে সজিব হোসেন ইবুর নির্দেশে রাজপথে তাওসিনের নেতৃত্বাধীন র‍্যালি সোনারগাঁয়ে আন্ডারপাস নির্মানের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ   না’গঞ্জে বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা ও হকারদের জন্য বহুতল ভবন করে কর্মসংস্থানের দাবি-আবদুল জব্বার নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ: শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান সব পেশাজীবীর যথাযথ মূল্যায়নের দাবি নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষকে মহানগর কৃষকদলের সদস্য সচিব সাইফুদ্দিন মাহমুদ ফয়সালের শুভেচ্ছা

ইসলামী আন্দোলন-এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
  • ২৭২ 🪪
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ১৯৮৭ সালে এ দিনে উত্তাল ছিল ঢাকা নগরী। স্বৈরশাহীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে হিংস্র প্রতিরোধ ব্যুহ ভেদ করে জনতার স্রোত ধেয়ে চললো শাপলা চত্বর অভিমুখে। দিশেহারা হয়ে যায় স্বৈরশাহী। পেটোয়া বাহিনী আগেই প্রস্তুত ছিলো সমাবেশ ঠেকাতে। আগের দিনই পুলিশ সমাবেশ মঞ্চ ভেঙ্গে ফেলেছিলো। গ্রেফতার করেছিলো ইসলামী আন্দোলনের ৮ জন কর্মীকে। অতএব পরিস্থিতি ছিলো উত্তপ্ত। পুলিশ ঘিরে রেখেছিলো গোটা মতিঝিল ও দৈনিক বাংলা এলাকা। উপরের কঠোর নির্দেশ; কোনো রকম সমাবেশ করতে দিবে না তারা আজ। স্বৈর সরকার ইতিমধ্যে টের পেয়ে গেছে ইসলামী জনতার এই স্রোত সরকার বিরোধী আন্দোলনকে আরো গতিময় করে অপ্রতিরোধ্য করে তুলবে। ইসলামের পক্ষে একটি গণ-অভ্যুত্থানের আশংকায় শংকিত হয়ে পড়েছিলো একটি মহল। অতএব যে কোনো মূল্যে ঠেকাতে হবে এই মহা শক্তিকে। মাথা সোজা করে দাঁড়াতে দেয়া যাবে না এ মিশনকে।

পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক লাখো ইসলামী জনতার উপর চালানো হয় হিংস্র বর্বরতা। বায়তুল মোকাররমের পবিত্র অঙ্গনে আশ্রয় নিয়েও রেহাই পায়নি ঈমানদার জনতা। বেপরোয়া লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস আর বুলেটের মহাযজ্ঞ চালিয়ে উল্লাসিত হলো হায়েনার পেটোয়ারা। জাতীয় বায়তুল্লাহ রঞ্জিত হলো আহতদের ছোপ ছোপ রক্তে। সেদিন শাপলা চত্বরে সমাবেশ করতে দেয়নি ওরা। জাতীয় প্রেসক্লাবের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেও সেদিন ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো হিংস্র পুলিশ। সেদিন অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছিলো। এক রক্ত ঝরা অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে সূচনা হলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর অভিযাত্রা।

ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এ যোগদান করতে উদাত্ত আহবান জানান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102