দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ফতুল্লা থানা ওলামা দল ও অঙ্গসংগঠন।
শুক্রবার বিকেলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের জেলা পরিষদ ভবনের সামনে থেকে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি লিংক রোডের গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে চাঁনমারী মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। মিছিলে নেতাকর্মীরা সন্ত্রাস-নৈরাজ্যবিরোধী এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে নানা স্লোগান দেন।
ফতুল্লা থানা ওলামা দলের আহ্বায়ক জিলানী ফকিরের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া ও নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি।
সমাবেশে বক্তরা বলেন: “একটি স্বার্থান্বেষী ও ষড়যন্ত্রকারী মহল সুপরিকল্পিতভাবে সমাজে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। আপনাদের ফেলে শেখ হাসিনা চলে গেছে কিন্তু আপনারা মুখোশ পরে মাঠে নামছেন। আর ছাড় নয় প্রত্যকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
তারা আরও বলেন, সম্প্রতি মাসদাইরে সংঘটিত কিশোর গ্যাংয়ের একজন নিহত হওয়ার ঘটনাটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় হলেও সেখানে অত্যন্ত চাতুর্যের সাথে সমাজসেবামূলক সংগঠন ‘আল-ফালাহ্’ এবং রাজপথের পরীক্ষিত ওলামা দলের নেতৃবৃন্দকে জড়িয়ে মামলা দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল হাস্যকরই নয়, বরং জাতীয়তাবাদী শক্তি ও আলেম সমাজকে সামাজিকভাবে হেয় করার এক গভীর ষড়যন্ত্র। প্রকৃত অপরাধী ও সন্ত্রাসী চক্রকে আড়াল করতেই নির্দোষ আলেম ও সমাজকর্মীদের ওপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা চলছে।
আমরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু আলেম সমাজ কিংবা ওলামা দলের কোনো নিরপরাধ নেতাকর্মীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করা হলে সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে ফতুল্লার রাজপথেই সেই চক্রান্তের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।”
বিক্ষোভ মিছিলে ফতুল্লা থানা ও ইউনিয়ন ওলামা দল, যুবদল, ছাত্রদল এবং স্থানীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।