রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—বাবুল সাহা জীবন (৩৩), নাজমুল ইসলাম (২৮), সঞ্জয় দাস, মনা (৩০), মিলন (৩২), বশির (৩১), সমীর (৩০) ও কাওছার (৩৪)। রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাবুল সাহা জীবন ও কাওছার পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে আসামিরা ফতুল্লা থানার মাসদাইর এলাকার আদর্শ স্কুলের উত্তর পাশে ‘মায়ের আঁচল’ নামে নির্মাণাধীন একটি ১২ তলা ভবনের সপ্তম তলায় শুভ্রকে ডেকে নিয়ে যান।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শুভ্রর মাথার পেছনে ও থুতনির নিচে আঘাত করা হয়। পরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত শুভ্রর বাবা মো. শাহাদাত হোসেন শিকদার বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় সাতজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে ফতুল্লা থানার তদন্ত কর্মকর্তা ২০২০ সালের ২৪ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রোববার আদালত মামলার সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুভ্র হত্যা মামলায় আদালত সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং দুই আসামি পলাতক ছিলেন।