দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউন (কোমানি) শহরের একটি সুপারশপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নারায়ণগঞ্জের ৫ প্রবাসীর মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নিতে এবং গভীর সমবেদনা জানাতে তাদের বাড়িতে ছুটে গেছেন বিশিষ্ট তরুণ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সায়েম আহম্মেদ।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের ক্রোকেরচর এলাকায় নিহতদের বাড়িতে যান। এসময় তিনি শোকস্তব্ধ পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের ধৈর্য ধরার সান্ত্বনা দেন।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকার ওই সুপারশপে লাগা ভয়াবহ আগুনে পুড়ে নিভে যায় পাঁচটি তাজা প্রাণ। নিহতরা হলেন— আলীরটেক ক্রোকের চর এলাকার মনির হোসেনের ছেলে ফাহিম (২৭), একই এলাকার দুই মেয়ে ও এক ছেলের জনক নুর মোহাম্মদ (৫৫), আলী মিয়ার ছেলে আপন (২১), ফারুক মিয়ার একমাত্র ছেলে ফয়সাল (২১) এবং বক্তাবলী ইউনিয়নের রামনগর এলাকার আক্তার হোসেনের ছেলে শাহিন (২৮)।
নিহতদের স্বজনদের সাথে আলাপকালে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে সায়েম আহম্মেদ বলেন, “বিদেশের মাটিতে জীবিকার তাগিদে গিয়ে এভাবে প্রাণ হারানো অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এই ক্ষতি পূরণ হবার নয়। আমি এই শোকের মুহূর্তে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। তাদের এই দুঃসহ সময়ে আমি এবং আমাদের এলাকাবাসী সবসময় তাদের পাশে থাকব।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাই যেন নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ সহযোগিতা প্রদান করা হয়। আমি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”
সায়েম আহম্মেদের এই সফরের সময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রবাসীদের এমন অকাল মৃত্যুতে পুরো আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন জুড়ে এক বিষাদময় পরিবেশ বিরাজ করছে। নিহতদের পরিবারের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।