তথ্য সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ ও আশেপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের মাঝে সুদীর্ঘকাল ধরে ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছিল এই মাদরাসাটি। একসময় মেধা তালিকা ও ভালো ফলাফলের জন্য এই প্রতিষ্ঠানের বিশেষ খ্যাতি থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে তার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদরাসার বর্তমান অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা, প্রাতিষ্ঠানিক অদক্ষতা এবং শিক্ষকদের একাংশের দায়িত্বহীনতার কারণে শিক্ষার পরিবেশ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই মাদরাসায় ভর্তি করাতে আস্থা হারাচ্ছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীর সংখ্যার ওপর। ”যে মাদরাসা একসময় এই অঞ্চলের গর্ব ছিল, আজ চোখের সামনে তার এই পতন মেনে নেওয়া কঠিন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়বে।”
— নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক অভিভাবক এলাকাবাসী ও শিক্ষানুরাগীদের দাবি, ঐতিহ্যবাহী নবীগঞ্জ ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার হারিয়ে যাওয়া গৌরব ফিরিয়ে আনতে এমপি এডভোকেট আবুল কালামের দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। মাদরাসার পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন এবং যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।