প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা আব্দুল মোমিন বলেন, “রমজান মাস বিশ্বাসীদের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত। আমরা যারা পরকালে বিশ্বাস করি, তারা পবিত্র কোরআনকেও অন্তরে ধারণ করি। প্রকৃত বিশ্বাসীরাই নিয়মিত নামাজ আদায় করেন ও কোরআন তেলাওয়াত করেন।”
তিনি জীবনের নশ্বরতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “আমাদের প্রতিটি নিঃশ্বাসই শেষ হতে পারে যেকোনো সময়। সুতরাং পরকালের অনন্ত যাত্রার কথা মাথায় রেখে আমাদের কোরআনের পথে চলতে হবে। যিনি কোরআনের আয়াত বিশ্বাস করেন, তার জন্যই নামাজ, রোজা, হজ্জ, জাকাত ও কদরের সার্থকতা।”
তিনি আরও বলেন, “সকাল মানেই জন্ম আর সন্ধ্যা মানেই মৃত্যু। একজন রোজাদার আল্লাহর ভয়ে গোপনেও কিছু খান না, মাপে কম দেন না। একজন বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসের আনন্দের ধরন কখনোই এক হতে পারে না।”
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ সদর পূর্ব থানার আমীর ও শ্রমিক কল্যান থানার উপদেষ্টা মাওলানা মাহবুবুর রহমান মল্লিক। তিনি বলেন, “সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছে। রমজান মাসের গুরুত্ব বেড়েছে কারণ এই মাসেই কোরআন নাজিল হয়েছে। কোরআন আমাদের সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বুঝিয়ে দিয়েছে, তাই জীবন গড়তে কোরআন পাঠ অত্যন্ত জরুরি।”
নারায়ণগঞ্জ সদর পূর্ব থানার সভাপতি মোঃ এরশাদ খাঁন-এর সভাপতিত্বে এবং মোঃ বেলাল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সদর পূর্ব থানা সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সদর পূর্ব থানা সহ-সভাপতি আব্দুর রব, সমাজ কল্যাণ পরিষদ সভাপতি মোঃ বাতেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।