ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. রোকনউদ্দিন বলেন, ‘আমার ফিজিওথেরাপি প্রতিষ্ঠানে এসে বিভিন্নভাবে টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি আমি তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি।’
আরেক ব্যবসায়ী ফারুক বলেন, ‘তাঁদের সঙ্গে আমাদের কোনো দোকান ভাড়ার চুক্তি হয়নি। এরপরও বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে টাকা নেওয়া হচ্ছে। দোকান ভাড়া ও অন্যান্য কথা বলে এ পর্যন্ত আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।’
অভিযোগের বিষয়ে শুকুর আলী ও তাঁর ছেলে মাসুদ বলেন, ‘৫ আগস্টের পর সরকারি খাসজমি দখল করে দোকান তুলেছি। এখানে ব্যবসা করলে ভাড়া দিতে হবে।’
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, ‘উক্ত সম্পত্তিগুলো রেলের সম্পত্তি। রেল কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা চাইলে সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা করবে। এসব সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রেল মন্ত্রণালয়ের অধীনে পৃথক বিভাগ রয়েছে।’
জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক জানান, শুকুর আলীর বিরুদ্ধে অতীতেও অভিযোগ ছিল। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে প্রাথমিকভাবে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। সর্বশেষ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।