বন্দর উপজেলা আমীর খোরশেদ আলম ফারুকীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় পরিদর্শনপূর্বক সার্বিক বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপন বলেন, “আসন্ন স্নানোৎসবে জেলা প্রশাসকসহ সকল রাজনৈতিক দল সহযোগিতা করে থাকে। এবার জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। উৎসবে যেন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে আমরা আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।”
পরিদর্শনে অংশ নিয়ে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মমিনুল হক সরকার বলেন, “আমরা আশা করছি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে। কোনো ধরণের সমস্যা দেখা দিলে আমরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করব।”
মহানগর জামায়াতের শীর্ষ নেতা মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন, “আমাদের দেশে সাধারণত কোনো বড় সমস্যা হয় না। মূলত বিপুল জনসমাগমের কারণে সাময়িক কিছু অসুবিধা হয়। আমরা প্রশাসনকে অনুরোধ করব যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে।”
নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, “লাঙ্গলবন্দ স্নান এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পুণ্যার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা দেখতেই আমরা আজ এখানে এসেছি। কোনো বিশৃঙ্খলা রোধে আমরা প্রশাসনকে যেমন সহযোগিতা করব, তেমনি আমাদের পক্ষ থেকে যা যা করা প্রয়োজন তাও করা হবে।”
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন স্নান কমিটির সহ-সভাপতি ও দপ্তর সম্পাদক তিলক তমা দাস, বাংলাদেশ গীতা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি ও স্নান কমিটির সদস্য প্রদীপ সরকার, প্রচার সম্পাদক তপন ঘোপ সাধু, উপদেষ্টা তপন ঘোষ এবং বিভিন্ন ঘাটের প্রতিনিধিবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ রাজঘাট ও গান্ধীঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় করেন।