আগামী ১৯ জানুয়ারি মহান এই নেতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
বাণীতে আতাউর রহমান বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং কালজয়ী দর্শন ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’-এর জনক। জাতির যেকোনো সংকট ও সংগ্রামে তিনি সবসময় ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর সততা, দেশপ্রেম ও একনিষ্ঠ কর্মতৎপরতা আজও আমাদের দেশপ্রেমের প্রেরণা জোগায়। এই শুভক্ষণে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।”
বার্তায় আতাউর রহমান মহান নেতার রূহের মাগফিরাত কামনা করার পাশাপাশি দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
তিনি আরও বলেন, “জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় নাম। তাঁর প্রবর্তিত আদর্শই আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল শক্তি। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশ ও গণতন্ত্রের সুরক্ষায় তাঁর আদর্শের কোনো বিকল্প নেই।”
শহীদ জিয়ার সংক্ষিপ্ত জীবনী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন এই মহানায়ক। ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে কমিশন লাভের পর থেকে তিনি একজন দক্ষ সৈনিক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন। বিশেষ করে ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে তাঁর বীরত্ব ছিল অনন্য। ১৯৭১ সালে দেশমাতৃকার আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করে দেশে উন্নয়নের নতুন ধারার সূচনা করেন।
উল্লেখ্য, শহীদ জিয়ার ৯০তম জন্মবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।