সাক্ষাৎকারে মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বিগত সময়ের রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলেন, “বিগত দিনে আমরা আমাদের কথাগুলো স্বাধীনভাবে বলতে পারিনি, আজ সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে।” বক্তব্যের শুরুতেই তিনি মরহুম শরীফ ওসমান হাদির বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য নিজের নির্বাচনী ইশতেহার ও পরিকল্পনার বিষয়ে মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বন্দরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি একটি আধুনিক ব্রিজের। তিনি জানান, নির্বাচিত হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত জায়গায় ব্রিজটি করা হচ্ছে না, যা সাধারণ মানুষের জন্য ভোগান্তির কারণ হতে পারে। তিনি সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী এর বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নারায়ণগঞ্জকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং দুর্নীতির অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে সর্বাত্মক কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন তিনি। রাজনৈতিক হয়রানি, হামলা ও মিথ্যা মামলার সংস্কৃতি বন্ধ করে একটি সুন্দর ও নিরাপদ নারায়ণগঞ্জ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন এই প্রার্থী।
মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন, “আমরা একটি ইনসাফভিত্তিক ও সুন্দর নারায়ণগঞ্জ গড়ার চেষ্টা করছি। যেখানে মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা থাকবে এবং উন্নয়ন হবে সুষম।”
সাক্ষাৎকার চলাকালে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ডিবিসি ইলেকশন এক্সপ্রেসের এই আয়োজনে এলাকার সাধারণ ভোটারদের মাঝেও ব্যাপক কৌতুহল সৃষ্টি হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন, কর্ম পরিষদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মোমিন, মাওলানা ওমর ফারুক সহ শতাধিক জামায়াত নেতৃবৃন্দ।