দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অঞ্জন দাস।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের প্রতীক ‘মাথাল’ মার্কায় মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপ্রধান ও গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস এক বিবৃতি প্রদান করেন।
বিবৃতিতে জননেতা অঞ্জন দাস বলেন, “এটি স্পষ্টভাবে একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস। নির্বাচনকে সামনে রেখে একজন প্রার্থীর ওপর এমন হামলা শুধু ব্যক্তি শরিফ ওসমান হাদির ওপর নয়, বরং এটি দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মুক্ত রাজনৈতিক চর্চা এবং নিরাপদ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি আঘাত।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ কোনো প্রার্থীকে ভয় দেখানো বা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হীন উদ্দেশ্যে এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব হলো নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে এমন ঘটনা প্রমাণ করে যে, একটি মহল নির্বাচনী মাঠকে অস্থিতিশীল করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।”
অঞ্জন দাস অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “রাজনৈতিক মত ও পথ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার জন্য সমান। প্রার্থীর ওপর গুলি চালিয়ে পুরো জাতিকে ভয় দেখানোর যে সংস্কৃতি চালু করার চেষ্টা চলছে, তার অবসান না ঘটালে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কখনোই সুরক্ষিত হবে না।”