আমার নেত্রী অন্যায়ের সঙ্গে কখনোই আপোষ করেননি: মুকুল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশের সময় :
বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
১২৯
🪪
বাংলাদেশ সরকারের তিন তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ ও ২২ নং ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত মিলাদ ও দোয়ার মাহফিল ৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বাদ আসর বন্দর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।
২২ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সুলতান আহাম্মদ ভূইয়ার সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বন্দর উপজেলা পরিষদের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক সাবেক আহবায়ক মোস্তাকুর রহমান মোস্তাকের সঞ্চালনায় ও বন্দর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন সাউদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এতে প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু। ২২ ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক পনির ভূইয়ার সার্বিক সহযোগিতায় দোয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মনিরুজ্জামান,সদস্য হাবিবুর রহমান দুলাল,বন্দর থানা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আলহাজ্ব হান্নান সরকার,২০নংওয়ার্ড বিএনপি নেতা গোলাম নবী মুরাদ,মহানগর তারেক জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাজী রাশেদ আহাম্মেদ টিটু,মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মোঃ আল মামুন,এ্যাড. আনিসুর রহমান মোল্লা,এ্যাড. শেখ মোঃ গোলাম মোর্শেদ গালিব,বন্দর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ শাহ আলম,পনির ভূইয়া,মাসুদ রানা,জান্নাতুল রাজিব, সুজন মোল্লা,২০নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলম,ছাত্রদল নেতা ফয়সাল আহাম্মেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আতাউর রহমান মুকুল বলেন,সরকার সর্বোচ্চ ব্যক্তি হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের নেতৃকে মূল্যায়ন করেছেন। সরকার চিন্তা করেছেন উনি একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। আমার নেত্রী আমাকে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন। তার সঙ্গে আমার দুই তিনবার কথা হয়েছিল। আতাউর রহমান মুকুল আরো বলেন,আমার নেত্রীকে দুর্ণীতি মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছি উনি নাকি এতিমদের টাকা মেরে খেয়েছে যা ছিল মিথ্যা বানোয়াট এবং ষড়যন্ত্রমূলক। যারা হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্ণীতি করেছেন তারা আজকে দেশে নেই। আমাদের মা বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে যাননি। আর দুর্ণীতিবাজদের নেত্রী তাদের মা সন্তানদের রেখে পালিয়ে গেছেন।
আমরা যদি চাইতাম আওয়ামীলীগের কোন সমর্থকও ঠিক থাকতে পারতো না। আমরা জনকল্যাণের জন্য রাজনীতি করি আমাদের নেত্রী এমনিতেই তিনবার প্রধানমন্ত্রী হননি তাঁর সেই গ্রহণযোগ্যতা ছিল বলেই হয়েছে। আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ,আমার নেত্রী অন্যায়ের সঙ্গে কখনোই আপোষ করেননি।