আসন্ন বারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের স্থানীয় রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় উঠে এসেছেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক সেলিম হোসেন দিপু।
গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে সেলিম হোসেন দিপুর কর্মী-সমর্থকদের প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল ব্যানার ও পোস্টারের মাধ্যমে তাকে বারদী ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চেয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন তার অনুসারীরা। ফলে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে এবং চায়ের আড্ডায় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন এই ত্যাগী নেতা।
নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আজহারুল ইসলাম মান্নানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে রাজনৈতিক মহলে সুপরিচিত হয়ে উঠেছেন সেলিম হোসেন দিপু। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি আজহারুল ইসলাম মান্নানের নির্দেশনায় বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সেলিম হোসেন দিপু ২২টিরও বেশি মামলার ঘানি টেনেছেন। দফায় দফায় জেল-জুলুম ও দমন-পীড়ন সত্ত্বেও দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি তিনি। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে প্রতিটি কর্মসূচিতে তার সাহসী অংশগ্রহণ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম হোসেন দিপু বলেন, “ব্যক্তিগত ইচ্ছার চেয়ে আমি জনগণের ইচ্ছাকে বেশি প্রাধান্য দিই। তৃণমূলের নেতাকর্মী এবং বারদী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ যদি চায় আমি নির্বাচন করি, তবে তাদের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে আমি অবশ্যই আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো। দীর্ঘ সময় ধরে জনগণের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকতে চাই।”
স্থানীয় ভোটারদের মতে, সেলিম হোসেন দিপু একজন সদালাপী এবং জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিত। দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি তাকে জনপ্রিয়তার দৌড়ে এগিয়ে রাখছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী নির্বাচনে দল ও জনগণের সমর্থন নিয়ে তিনি বারদী ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্বে আসতে পারেন কি না।