পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং সামাজিক ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দ্বিতীয় দিনের মতো মাংস বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নেওয়া এই মানবিক কর্মসূচির আওতায় আজ মঙ্গলবার (৪ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডসহ মুছাপুর ও কলাগাছিয়া ইউনিয়নের প্রায় ১০০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে গরুর মাংস পৌঁছে দেওয়া হয়।
বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এই শিল্পপতি ও সমাজসেবক এবারও পুরো রমজান মাসজুড়ে এই জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। বিতরণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ মনিটরিং টিমের মাধ্যমে প্রকৃত অভাবী মানুষের তালিকা অনুযায়ী এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে মাসুদুজ্জামান বলেন, “রমজান আমাদের একে অপরের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। সমাজের সামর্থ্যবানরা এগিয়ে এলে দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। আমার লক্ষ্য হলো—ইফতার ও সেহরিতে যেন কোনো পরিবার খাদ্য বা পুষ্টির অভাব বোধ না করে। এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমি সামাজিক সংহতি আরও জোরদার করতে চাই।”
মাংস হাতে পেয়ে সুবিধাভোগীরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, বর্তমান বাজারে মাংসের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ঘরে মাংস পৌঁছে যাওয়ায় তাদের পরিবারে বড় স্বস্তি এসেছে।
বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, সদস্য অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, শহীদুল ইসলাম রিপন, আলমগীর হোসেন, মনোয়ার হোসেন শোখন, সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু, হাজী মো. মনির হোসেন সরদার এবং মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক যুবদল নেতা ইব্রাহিমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, সমাজসেবক মাসুদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। শীতবস্ত্র বিতরণ, দুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা এবং ক্রীড়া সামগ্রী প্রদানের মাধ্যমে তিনি নারায়ণগঞ্জের সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পবিত্র রমজান মাসজুড়ে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য এলাকাতেও এই মাংস বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।