বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে ৯১০০ লিটার অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার, মজুতদাররা রাষ্ট্রের শত্রু : ডিসি ‘গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’: দক্ষ জনশক্তি গড়তে বিএনপি নেতা গাজী দুলালের উদ্যোগে ফ্রি কারিগরি প্রশিক্ষণ নারায়ণগঞ্জ ডিসি’র উদ্যোগে লিংক রোডের স্টেডিয়াম সংলগ্ন ময়লার ভাগাড় অপসারণ নারায়ণগঞ্জের গলাচিপা থেকে নিখোঁজ মা হারা মাদ্রাসা ছাত্র মাহফুজ বন্দরে স্কুলছাত্র আরাফাত হত্যা: ঘাতক রিপনের মৃত্যুদণ্ড প্রশিক্ষিত যুবদের মাঝে বিকাশ ও রকেটে ভাতা  বিতরণ করলো ঢাকা জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর মশার প্রজননস্থল ও বিস্তারের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে:ডিসি রায়হান কবির সোনারগাঁয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: অপমৃত্যুর মামলা সদর উপজেলার পেট্রোল পাম্পসমূহ নিয়মিত মনিটরিং জোরদারে ট্যাগ অফিসারদের নিয়ে মতবিনিময় সভা না’গঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখায় সর্বমহলেই প্রশংসিত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী

বন্দরে স্কুলছাত্র আরাফাত হত্যা: ঘাতক রিপনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৬২ 🪪

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্র আরাফাত হোসেন (১২) হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. রিপনকে (৩২) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. রিপন বন্দর উপজেলার লাউসার এলাকার মো. ইসলামের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি রিপন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না; তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে, তথ্য-প্রমাণ না থাকায় এই মামলায় রাব্বি নামের এক আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র আরাফাত হোসেনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘাতক রিপন প্রথমে ইট দিয়ে আরাফাতের মাথা থেঁতলে দেয় এবং পরে গলা টিপে হত্যা করে লাশ মসজিদের পুকুরে ফেলে দেয়। চতুরতার আশ্রয় নিয়ে রিপন নিজেই নিখোঁজ আরাফাতের পরিবারের সঙ্গে তাকে খোঁজাখুঁজিতে অংশ নেয়। ঘটনার তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর পুকুর থেকে আরাফাতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, হত্যার নেপথ্যে ছিল পূর্ব শত্রুতা ও ব্যক্তিগত ক্ষোভ। রিপনের একটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরাফাতের কলেজপড়ুয়া বড় ভাই সাক্ষী দিয়েছিলেন। এছাড়া আরাফাতের বাবা মদনপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মনা, প্রতিবেশী এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে রিপনের পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করেছিলেন। এসব ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই শিশু আরাফাতকে টার্গেট করে রিপন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেন। আসামি রিপন ইতিপূর্বে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আদালতের এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102